




প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক · জমিদার, খটনগর গ্রাম
প্রথম সম্পাদক · রামনগর নিবাসী
মালিয়াড়া ও রামনগরের দুটি পাঠশালা একত্রিত হয়ে একটি সুসংহত বিদ্যালয় আত্মপ্রকাশ করে। পাঠশালা দুটি চালাতেন যথাক্রমে মহেশ্বর ঘোষ এবং বলরাম মজুমদার। সতীশচন্দ্র ঘোষকে তাঁর ঐ মহৎ উদ্দেশ্য রূপায়নে সাহায্য করেছিলেন সাতকড়ি মন্ডল এবং আশুতোষ মন্ডল।
প্রথম অবস্থায় বিদ্যালয়টির নিজস্ব কোনো ভবন ছিল না। প্রথমে প্রধান শিক্ষকের বৈঠকখানায় শুরু হয়, পরে হরিদাস মজুমদারের বৈঠকখানায়, এবং শেষে সম্পাদক গিরীশ চন্দ্র মিত্রের মায়ের চন্ডিমন্ডপে উঠে আসে। পরে বামনগর গ্রামের উত্তরে মাটির দেওয়াল ও খড়ের চাল বিশিষ্ট প্রথম নিজস্ব ভবন নির্মিত হয়।
১৯৫০-৫১ সাল থেকে চিন্তাভাবনা শুরু হলেও ১৯৫৪-৫৫ সালে সরকারী অনুমোদন পাওয়া যায়। এলাকার শিক্ষানুরাগী যুবক — নবনীধর মিত্র, মহাদেব চট্টোপাধ্যায়, বিকাশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুধাংশু শেখর রায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৬৩ সাল থেকে নবম শ্রেণীতে ছাত্র ভর্তি শুরু হয়। বর্তমান অবস্থানে "সিং বাগান" নামক আমবাগানে নতুন ভবন নির্মিত হয় — যে জমি নবনীধর মিত্র রেজিস্ট্রি দলিল করে স্কুলকে দান করেন।
সরকারীভাবে রামনগর উচ্চ বিদ্যালয় অনুমোদন পেল ১৯৬৪ সালে। ১৯৬৫ সালে ৭ জন ছাত্রছাত্রী প্রথম স্কুল ফাইন্যাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং ৭ জনই কৃতিত্বের সঙ্গে সফল হন।
প্রাক্তন সম্পাদক অমিত কুমার চট্টোপাধ্যায় এবং প্রধান শিক্ষক শ্রী আদিত্য চরণ ঘোষের উদ্যোগে ১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়টি উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হয়।
প্রথম সম্পাদক · বিদ্যালয়কে জমি দান করেন
বিশিষ্ট চিকিৎসক · সহ-সভাপতি
বিশিষ্ট আইনজীবী · পরিচালক সমিতির সভাপতি
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা · বসতবাড়ি ও ৩ লক্ষ টাকা দান
কিংবদন্তি প্রধান শিক্ষক · পার্শ্ববর্তী জেলায় সুনাম ছড়িয়েছিলেন
পরিচালক সমিতির সভাপতি · উচ্চ বিদ্যালয় গঠনে অগ্রণী ভূমিকা